রোমানিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বলছে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে এটি যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের নেটোভুক্ত দেশগুলোকে রক্ষা করবে।
বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বানানো স্বল্প ও মধ্যম পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে রক্ষা করা যাবে নেটোভুক্ত দেশগুলোকে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো ইউরোপকেই এক ধরণের নিরাপত্তা ঢালের নিচে নিয়ে আসবে এই ব্যবস্থা।
তবে, শুরু থেকেই এই কার্যক্রমের বিরোধিতা করছে রাশিয়া।

এই ষ্টেশনের কাজ শুরু হলে ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একটি পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণ চালিয়েছিল
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলছেন, নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা চালুর ফলে রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।
তিনি বলছেন এটি ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও কৌশলগত পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলবে।
কিন্তু রাশিয়ার এই অভিযোগ বরাবরের মতই নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও নেটো। নতুন প্রতিরক্ষা ষ্টেশনটি উদ্বোধনের সময় মার্কিন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, রুশ রকেট ঠেকানোর জন্য এই ষ্টেশন তৈরি করা হয়নি।
২০১৪ সালে ইউক্রেনের ক্রাইমিয়ার রাশিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে যাবার পর থেকেই পশ্চিমা রাষ্ট্র বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রাশিয়ার সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়।
নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চালুতে যুক্তরাষ্ট্র আশি কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ খরচ করেছে।
পোল্যান্ডে এরকম আরো একটি ষ্টেশন তৈরির কাজ চলছে এখন।